ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিটঘর ইউনিয়ন প্রবাসী সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সোলার লাইট স্থাপন নবীনগরের মানুষের যে ভালোবাসা পাচ্ছি ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে হাতপাখা ভোটে বিজয় হবে-নজু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ইব্রাহীম খলিল ঢাকাস্থ বিটঘর ইউনিয়ন ছাত্র কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত টিয়ারা বড়বাড়ি তালিমুস সুন্নাহ সিদ্দিকিয়া মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল আলমগীর হোসেনের আলোকিত নূরনগর সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগে জমজমাট প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত। আলোকিত নূরনগর সামাজিক সংগঠন এর ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শীত বস্ত্র বিতরণ এবং কেক কাটা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। ওয়ারুক কবরবাসীর স্মরণে ইসলামী সুন্নী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে জবি এমসিজে ডিবেটিং ক্লাবের নেতৃত্বে তানভীর – সাফা
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

নবীনগরে জিপিএ- ৫ পেল দরিদ্র পরিবারের সুমাইয়া  

638

নিজস্ব প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার সুহাতা গ্রামের সুমাইয়া আক্তার নবীনগর মহিলা কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ- ৫ পেয়েছে। এ বছর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে মন খারাপ,পাসের হার কম, জিপিএ- ৫ পাওয়া যেন সোনার হরিণ। তবু এই কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে সবাইকে তাক লাগিয়েছেন সুমাইয়া। সে এসএসসিতে ও একই ফলাফল করেছে। অভাব-অনটন তাদের সংসারে নিত্য সঙ্গী। তাই মায়ের সঙ্গে নকশিকাঁথা সেলাই করে এবং টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সুমাইয়ার পিতা সুহাতা গ্রামের ইজি বাইক চালাক মো. জীবন মিয়া। তার আয়ে সংসার চলে না, তাই মা পারভীন আক্তার বাড়িতে কাঁথা সেলাইয়ের কাজ করেন। ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে মানুষের অর্ডার দেওয়া কাঁথা সেলাই করে মা-মেয়ে। সুমাইয়ার কয়েকজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ায় । চাচা স্বপন মিয়ার অনুপ্রেরণায় গুঞ্জন পাঠাগারে নিয়মিত পড়াশোনা করে ।
সুমাইয়া জানায়-“আমার বাবা ঋণগ্রস্ত, অটোরিকশা চালিয়ে কিস্তি শোধ করতে কষ্ট হয়। আগামী দিনের পড়াশোনা নিয়ে চিন্তায় আছি। কিন্তু আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়, প্রয়োজনে আরো পরিশ্রম করব”।
বইমজুর হিসেবে পরিচিত সুমাইয়ার চাচা হাবিবুর রহমান স্বপন বলেন-“অসম্ভব মেধাবী সুমাইয়া, দর্জি কাজ, কাঁথা সেলাই এবং টিউশনি করে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। যারা তার পাশে ছিলেন- বিশেষ করে শিক্ষকমণ্ডলী তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। মেয়েটি যেন উচ্চশিক্ষা নিতে পারে, সে জন্য সমাজের দয়ালু মানুষদের সহযোগিতা প্রয়োজন”।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিটঘর ইউনিয়ন প্রবাসী সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সোলার লাইট স্থাপন

নবীনগরে জিপিএ- ৫ পেল দরিদ্র পরিবারের সুমাইয়া  

আপডেট সময় ০৭:৩৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
638

নিজস্ব প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার সুহাতা গ্রামের সুমাইয়া আক্তার নবীনগর মহিলা কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ- ৫ পেয়েছে। এ বছর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে মন খারাপ,পাসের হার কম, জিপিএ- ৫ পাওয়া যেন সোনার হরিণ। তবু এই কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে সবাইকে তাক লাগিয়েছেন সুমাইয়া। সে এসএসসিতে ও একই ফলাফল করেছে। অভাব-অনটন তাদের সংসারে নিত্য সঙ্গী। তাই মায়ের সঙ্গে নকশিকাঁথা সেলাই করে এবং টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সুমাইয়ার পিতা সুহাতা গ্রামের ইজি বাইক চালাক মো. জীবন মিয়া। তার আয়ে সংসার চলে না, তাই মা পারভীন আক্তার বাড়িতে কাঁথা সেলাইয়ের কাজ করেন। ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে মানুষের অর্ডার দেওয়া কাঁথা সেলাই করে মা-মেয়ে। সুমাইয়ার কয়েকজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ায় । চাচা স্বপন মিয়ার অনুপ্রেরণায় গুঞ্জন পাঠাগারে নিয়মিত পড়াশোনা করে ।
সুমাইয়া জানায়-“আমার বাবা ঋণগ্রস্ত, অটোরিকশা চালিয়ে কিস্তি শোধ করতে কষ্ট হয়। আগামী দিনের পড়াশোনা নিয়ে চিন্তায় আছি। কিন্তু আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়, প্রয়োজনে আরো পরিশ্রম করব”।
বইমজুর হিসেবে পরিচিত সুমাইয়ার চাচা হাবিবুর রহমান স্বপন বলেন-“অসম্ভব মেধাবী সুমাইয়া, দর্জি কাজ, কাঁথা সেলাই এবং টিউশনি করে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। যারা তার পাশে ছিলেন- বিশেষ করে শিক্ষকমণ্ডলী তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। মেয়েটি যেন উচ্চশিক্ষা নিতে পারে, সে জন্য সমাজের দয়ালু মানুষদের সহযোগিতা প্রয়োজন”।